fbpx

জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) সংশোধনের নিয়মাবলি

জাতীয় পরিচয় পত্রে অনাকাঙ্ক্ষিত অনেকেরই ভুল হয়ে থাকে। এই ভুল সংশোধনের জন্য হয়রানিও কম হতে হয় না সঠিক পদ্ধতি না জানার অভাবে। এখানে ওখানে দৌড়াদৌড়ি, টাকা পয়সা উড়ানো দেখা যায় কাজও হতে বিলম্ব হয়। আজকের আমাদের লেখায় ‘বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন’ এর তথ্য অনুযায়ী কিভাবে জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করতে হয় তার বিস্তারিত থাকবেঃ

 

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন NID কাডের্র সকল সেবা এখন থেকে অনলাইনে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। তাই এখন আপনি চাইলেই ঘরে বসে আপনার NID কার্ড সংশোধন করতে পারবেন।

 

অনলাইনে NID সংশোধন করতে হলে প্রথমে আপনাকে নির্বাচন অফিসের ওয়েবসাইটে আপনার NID এর তথ্য ব্যবহার করে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে তারপর নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে সংশোধনের আবেদন করতে হবে। চলুন এবার দেখে নেই আমরা ধাপে ধাপে কিভাবে সবগুলা কাজ সম্পন্ন করব।

 

অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন

অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করার জন্য প্রথমে আপনাকে এই লিংকে https://services.nidw.gov.bd/nid-pub/?session-expired=true ক্লিক করতে হবে। এই লিংকে গিয়ে আপনার NID নাম্বার, জন্ম তারিখ এবং একটি ক্যাপচার কোড ফিলাপ করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করবেন। তারপর আপনার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা সিলেক্ট করে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন। তারপর একটি মোবাইল নাম্বার দিয়ে বার্তা পাঠান বাটনে ক্লিক করুন। সাথে সাথে আপনার মোবাইলে একটা কোড আসবে এটা দিয়ে বহাল বাটনে ক্লিক করুন। তারপর আপনাকে একটা পাসওয়ার্ড সেট করতে বলা হবে আপনি চাইলে পাসওয়ার্ড সেট করতে পারেন বা এড়িয়েও যেতে পারেন। এবার আপনার প্রয়োজনীয় সকল তথ্য দিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হল।

যেকোনো সার্টিফিকেট সংশোধন – ঘরে বসেই

যেকোনো সার্টিফিকেট সংশোধন – ঘরে বসেই

সংশোধনের জন্য আবেদন:-

অনলাইনে এনআইডি সংশোধন: অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের জন্য আপনাকে প্রথমে উপরে বলা সিস্টেমে নির্বাচন অফিসের সার্ভারে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। তারপর আপনার NID তে লগইন করার পর প্রোফাইলে ক্লিক করবেন, তারপর এডিট বাটনে ক্লিক করবেন, আপনার প্রয়োজনমত যা যা সংশোধন করার দরকার তা ইডিট করে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করবেন। এই ধাপে আপনার NID তে যা যা সংশোধন করতেছেন তার বিস্তারিত দেখাবে সব ঠিক থাকলে আবারো পরবর্তী বাটনে ক্লিক করবেন। তারপর আপনার প্রয়োজনীয় ফি জমা দেওয়ার জন্য দেখাবে। আবারো পরবর্তী বাটনে ক্লিক করলে স্ক্রিনে দেখাবে কত টাকা পেমেন্ট করতে হবে। যত টাকা দেখাই তত টাকা আপনি জমা দিতে হবে।

 

সেখান থেকে “বহাল” বাটন এ ক্লিক করলে আপনাকে এডিট প্রোফাইল পেজে নিয়ে যাওয়া হবে।

ইডিট মোডে প্রোফাইল পেজ

এই পেজে আপনার সকল ব্যাক্তিগত তথ্য পুনরায় দেখতে পাবেন। খেয়াল করুন, প্রতিটি তথ্যের পাশে একটি বক্স রয়েছে। উক্ত বক্সসমুহে ক্লিক করলে বক্সটি ঠিকমার্ক যুক্ত হবে এবং ঠিকমার্কযুক্ত বক্সের তথ্য এডিট করা যাবে।

এই পেইজ থেকে আপনি আপনার এনআইডি তে থাকা নাম, জন্ম তারিখ, রক্তের গ্রুপ, জন্ম-নিবন্ধন নাম্বার, মা-বাবার নাম ইত্যাদি পরিবর্তন করতে পারবেন।

যেসব তথ্য পরিবর্তন করতে চান, সেগুলোর পাশে থাকা বক্সে ঠিক মার্ক দিন এবং তথ্যসমুহ এডিট করুন। প্রয়োজনীয় তথ্য পরিবর্তন করা হয়ে গেলে উপরে ডানদিকে থাকা “পরবর্তী” বাটনে ক্লিক করুন।

পরবর্তী বাটনে ক্লিক করার পর আপনাকে পরিবর্তন ট্যাবে নিয়ে যাওয়া হবে। এই ট্যাবে আপনি যেসব তথ্য পরিবর্তন করেছেন, সেগুলোর বর্তমান ও পরিবর্তনকৃত অবস্থা দেখানো হবে। এরপর আবার উপরে ডানদিকে থাকা “পরবর্তী” বাটনে ক্লিক করুন। এবার পরবর্তী বাটনে ক্লিক করার পর আপনাকে ট্রানজেকশন ট্যাবে নিয়ে যাওয়া হবে

প্রক্রিয়ার এই ধাপে আপনি যেসব তথ্য পরিবর্তন করেছেন, সেগুলোর জন্য কত টাকা ফি প্রদান করতে হবে, তা প্রদর্শিত হবে। ফি প্রদান না করা পর্যন্ত আপনি পরবর্তী ধাপে যেতে পারবেন না।

এই পর্যায়ে আপনাকে উল্লেখিত ফি প্রদান করতে হবে। যেসব মোবাইল বা ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে এই ফি প্রদান করতে পারবেন, সেগুলো হলোঃ

  • বিকাশ
  • ডাচ্-বাংলা ব্যাংক এবং রকেট মোবাইল ব্যাংকিং
  • ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড এবং ওকে ওয়ালেট মোবাইল ব্যাংকিং
  • ট্রাষ্ট ব্যাংক লিমিটেড এবং টি-ক্যাশ মোবাইল ব্যাংকিং
  • মিউচুয়াল ট্রাষ্ট ব্যাংক লিমিটেড
  • বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেড
  • ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড

আপনিও আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের রিভিউ দিতে পারেন আমাদের ওয়েবসাইটে। নিচের লিংকে প্রবেশ করে যাবতীয় সব তথ্য দিয়ে আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে তুলে ধরুন সবার সামনে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের রিভিউ প্রদান

 

ফি দেওয়ার সহজ নিয়মাবলিঃ

বিকাশের মাধ্যমে NID সংশোধনের ফি দেয়ার নিয়ম

বিকাশ অ্যাপের ‘পে বিল’ অপশন ওপেন করুন। ‘সরকারি ফি’ অপশন থেকে NID Service সিলেক্ট করুন। যে সেবাটির জন্য আপনি আবেদন করেছেন তা বাছাই করে পেমেন্ট করুন।

রকেটের মাধ্যমে NID সংশোধনের ফি দেয়ার নিয়ম

ফি প্রদান করতে আপনার পছন্দমত মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ রকেট এ প্রবেশ করে “Pay Bill” অপশনে ঢুকুন। “Pay Bill” এ ঢুকার পর “1000” লিখে সার্চ করলে “EC Bangladesh” অপশনটি আসবে। অপশনটি সিলেক্ট করুন। এখানে রকেটের জন্য স্ক্রিনশট দেখানো হল।

এরপর আপনাকে অন্য একটি পেজে নিয়ে যাওয়া হবে, যেখানে আপনার এনআইডি কার্ড এর নাম্বার জানতে চাওয়া হবে। সতর্কতার সহিত আপনার এনআইডি কার্ড এর নাম্বার সঠিকভাবে প্রদান করুন। আপনার উল্লেখিত এনআইডি কার্ড এর নাম্বারের জন্য পাঠানো টাকা ডিপোজিট হবে।

“Application Type” এর লেখাটিতে ক্লিক করলে কোন ধরনের পরিবর্তন এর জন্য কোন সংখ্যা লিখতে হবে, তা প্রদর্শিত হবে। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী সংখ্যাটি লিখুন।

এরপর নিচে আসলে “Pay For” একটি লেখা দেখতে পাবেন। সেখান থেকে নিজের জন্য ফি প্রদান করলে “Self” এবং অন্যের জন্য হলে “Other” এ ক্লিক করুন।

যেকোনো সার্টিফিকেট সংশোধন – ঘরে বসেই

সকল তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করা হয়ে গেলে “Validate” এ ক্লিক করুন। এরপর “Ok” চাপুন। “Biller Short Name” নামে কোনো বক্স দেখানো হলে, সেখানে আপনার নামের শর্টফর্ম লিখুন। এরপর কত টাকা পাঠানো হবে, সে সম্পর্কিত তথ্য দেখতে পাবেন।

বিল পে করার পর প্রাপ্ত রিসিট

এরপর আপনার মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্ট এর পিন দিয়ে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করুন। সঠিকভাবে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হয়ে গেলে আপনি বিল এর একটি রিসিট পাবেন।

এরপর আবার চলে আসুন জাতীয় পরিচয়পত্র এর তথ্য পরিবর্তন এর প্রক্রিয়াতে। “ট্রানজেকশন” পেজটি রিলোড করুন। রিলোড করার পর দেখতে পাবেন, আপনার পরিশোধকৃত অর্থ এখানে প্রদর্শিত হচ্ছে।

এরপর “পরবর্তী” বাটনে ক্লিক করলে আপনাকে কাগজপত্র ট্যাবে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে আপনি আপনার তথ্যসমুহের ভ্যালিডেশন হিসেবে এসএসসি পরীক্ষার সার্টিফিকেট বা জন্মসনদ এর স্ক্যানকৃত ডকুমেন্ট যুক্ত করে দিবেন। এরপর “পরবর্তী” বাটনে ক্লিক করুন।

এখন আপনার আবেদনকৃত এনআইডি কার্ড এর সকল তথ্য পরিবর্তন এর প্রক্রিয়াটি নিশ্চিত করতে বলা হবে। সকল তথ্য ঠিকমত দেওয়া হয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত করুন।

এরপর উপরে ডানদিকে থাকা “সাবমিট” বাটনে ক্লিক করুন। এরপর প্রোফাইল পেজ দেখতে পাবেন। প্রোফাইল এর নিচের দিকে থাকা “বিস্তারিত তথ্য” বাটনে ক্লিক করলে একটি নতুন পেজ দেখতে পাবেন। সেখানে ডানদিকে উপরে থাকা “ডাউনলোড” বাটনে ক্লিক করলে একটি পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড হবে। পিডিএফ ফাইলটিতে প্রবেশ করলে অনেকটা নিম্মোল্লেখিত ধরনের ফর্ম দেখতে পাবেনঃ

পিডিএফ এর প্রিন্ট কপি সংগ্রহ করুন। এরপর আপনাকে আপনার ফোন নাম্বারে এসএমএস মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে কোথায় গেলে আপনার নতুন আইডি কার্ড পাবেন। এসএমএস এ উল্লেখিত স্থানে এই পিডিএফ এর প্রিন্ট কপি নিয়ে গেলেই নতুন তথ্যযুক্ত আইডি কার্ড পেয়ে যাবেন।

যেকোনো সার্টিফিকেট সংশোধন – ঘরে বসেই

অনলাইন ছাড়াও আপনারা চাইলে আগের মতো নিজ এলাকার নির্বাচন কমিশন অফিসে গিয়ে পরিবর্তনের আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে আরো বেশি ঝামেলা বলে মনে হয়। সরাসরি আবেদনের ক্ষেত্রে যে ধরনের পরিবর্তনের জন্য যেসব কাগজপত্র রাখতে হবে তা নিম্নে সম্পূর্ণ দেওয়া হলোঃ

যেকোনো সার্টিফিকেট সংশোধন – ঘরে বসেই

১। নিজ পিতা/স্বামী/মাতার নাম সংশোধন-

আবেদন পত্রের সাথে যেসব দলিলাদি (এক বা একাধিক) দাখিল করতে হবে

> এস.এসসি/সমমান সনদ

> নাগরিকত্ব সনদ

> জন্ম সনদ

> চাকুরীর প্রমাণপত্র

> পাসপোর্ট

> নিকাহনামা

> পিতা/স্বামী/মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি

আবেদনপত্রের সাথে সংযুক্ত দলিলাদি অবশ্যই সত্যায়িত হতে হবে

সাধারণতঃ প্রাপ্তিস্বীকারপত্রে উল্লিখিত তারিখে সংশোধিত পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়

 

২। নিজের নাম পরিবর্তন

ডাক নাম বা অন্য নামে নিবন্ধিত হলে সংশোধনের জন্য আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে

> এস.এস.সি/সমমান সনদের সত্যায়িত ফটোকপি

> বিবাহিতদের ক্ষেত্রে স্ত্রী/স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি

> ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে সম্পাদিত এফিডেভিট

> জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞাপনের কপি।

পরবর্তীতে কাগজপত্রের মূলকপি সহ ব্যক্তিগত শুনানীর জন্য উপস্থিত হতে হবে।

 

৩। বিবাহ/বিবাহবিচ্ছেদের কারণে সংশোধণ-

> বিবাহের কারণে স্বামীর নাম অন্তর্ভুক্ত করতে চাইলে- কাবিননামা ও স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি দাখিল করতে হবে।

> বিবাহ-বিচ্ছেদের কারণে স্বামীর নাম বাদ দিতে চাইলে- তালাকনামার সত্যায়িত কপি দাখিল করতে হবে।

সাধারণতঃ প্রাপ্তি স্বীকারপত্রে উল্লিখিত তারিখে সংশোধিত পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়।

 

৪। পিতা/মাতার নাম পরিবর্তন-

পিতা/মাতার নাম আমূল পরিবর্তনের ক্ষেত্রে আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে

> এসএসসি/এইচএসসি/সমমান পরীক্ষার সনদপত্র/রেজিস্ট্রেশন কার্ড

> পিতা/মাতার পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি

> পিতামাতামৃত হলে অন্যান্য ভাইবোনের পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি

> অন্য কোন গ্রহণযোগ্য কাগজের সত্যায়িত কপি

প্রকল্প কাৰ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকর্তৃক সাক্ষাতকার গ্রহণ করা প্রয়োজন হতে পারে।

 

৫। জন্মতারিখ সংশোধন-

যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম এসএসসি/সমমান

> তাদের জন্মতারিখ সংশোধনের ক্ষেত্রে আবশ্যিকভাবে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার সনদপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি জমা দিতে হবে

> বয়সের পার্থক্য অস্বাভাবিক না হলে প্রাপ্তি স্বীকারপত্রে উল্লেখিত তারিখে সংশোধিত পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়।

> অস্বাভাবিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সনদের মূল কপি প্রদর্শনকিংবা ব্যক্তিগত শুনানীতে অংশ নেয়া প্রয়োজন হতে পারে।

যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা অনূর্ধ এসএসসি/সমমান তাদের জন্মতারিখ সংশোধনের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র ইস্যু তারিখের আগের তারিখের

> সার্ভিস বুক/এমপিও’র কপি

> ড্রাইভিং লাইসেন্স

> জন্ম সনদ

> নিকাহনামা

> পাসপোর্টর কপি প্রভৃতি দাখিল করতে হবে

প্রকল্পকালিয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা/প্রকল্প পরিচালক কর্তৃক সাক্ষাতকার গ্রহণ করা হয়, প্রয়োজনবোধে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তার মাধ্যমে সরেজমিনে তদন্ত করা হয়।

যেকোনো সার্টিফিকেট সংশোধন – ঘরে বসেই

৬। বিবিধ সংশোধন-

জাতীয় পরিচয়পত্রে কোন নামের পূর্বে পদবী, উপাধি, খেতাব ইত্যাদি সংযুক্ত করা যাবে না।

> পিতা/স্বামী/মাতাকে “মৃত” উল্লেখ করতে চাইলে মৃত্যু সনদ দাখিল করতে হবে

> জীবিত পিতা/স্বামী/মাতাকে ভুলক্রমে “মৃত” হিসেবে উল্লেখ করার কারণে

পরিচয়পত্র সংশোধন করতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয়পত্রের কপি দাখিল করতে হবে।

 

৭। রক্তের গ্রুপ সংশোধন-

রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভুক্ত বা সংশোধন করতে হলে মেডিকেল প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।

 

৮। ঠিকানা সংশোধন-

ঠিকানা পরিবর্তনের বিষয়ে ফরম-১৩/ফরম-১৪ এ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে।

> প্রকল্প অফিসে ভোটার এলাকা পরবর্তন ছাড়া শুধু ঠিকানায় নম্বর বা বানান ভুল থাকলে তা সংশোধন করা হয়।

> এজন্য পরিবারের কোন সদস্যের পরিচয়পত্রের কপি

> গ্যাস/বিদ্যুৎ/টলিফোন বিলেরকপি,করআদায়েরকপি

> চেয়ারম্যান/ওয়ার্ড কমিশনারের প্রত্যয়নপত্র ইত্যাদি দাখিল করতে হবে।

যেকোনো সার্টিফিকেট সংশোধন – ঘরে বসেই

৯। হালনাগাদ কর্মসূচীর সংশোধন/পুনঃ ইস্যু-

২০০৯ সালে হালনাগাদ কর্মসূচীতে যাদের নাম ভোটার তালিকায় অন্তৰ্ভূক্ত করা হয়েছে তাঁদের জাতীয় পরিচয়পত্র কোন ভুল থাকলে বা হারিয়ে গেলে ডিসেম্বর, ২০১০ মাসের পর যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হল।

 

১০। সংশোধিত পরিচয়পত্র বিতরণ

বিতরণের জন্যনিরিত তারিখের ৭(সাত) দিনের মধ্যে কাউন্টার হতে সংশোধিত পরিচয়পত্র গ্রহণ করা না হলে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

 

১১। হারানো পরিচয়পত্রের ডুপ্লিকেট ইস্যু-

  • পরিচয়পত্র হারানোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট থানায় ভোটার নম্বর/আইডি নম্বর উল্লেখ করে জিডি করে তার মূল কপিসহ সাদা কাগজ/সরবরাহকৃত ছকে আবেদনপত্র নির্দিষ্ট কাউন্টারে জমা দিয়ে প্রাপ্তি স্বীকার পত্র গ্রহণ করতে হবে।
  • প্রাপ্তি স্বীকারপত্রে উল্লিখিত ডুপ্লিকেট পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়। নম্বর ভুল হলে ডুপ্লিকেট পরিচয়পত্র ইস্যুকরণ সময় সাপেক্ষ।
  • বিতরণের জন্য নির্ধারিত তারিখের ৭(সাত) দিনের মধ্যে কাউন্টার হতে ডুপ্লিকেট পরিচয়পত্র গ্রহণ করা না হলে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

 

আপনিও আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের রিভিউ দিতে পারেন আমাদের ওয়েবসাইটে। নিচের লিংকে প্রবেশ করে যাবতীয় সব তথ্য দিয়ে আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে তুলে ধরুন সবার সামনে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের রিভিউ প্রদান

 

Spread the love

Related Articles

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

Check Also
Close
Back to top button
Don`t copy text!